সিসটেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন
গভঃ রেজি নং- ৫৭২৪ (৮৪১)/০৬
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। বাংলাদেশের প্রচুর সম্পদ নেই। কিন্তু রয়েছে বিশাল জনগোষ্ঠী। এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তি তৈরির মাধ্যমে অন্যতম সম্পদে পরিণত করে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব। দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে শিক্ষার বিকল্প নেই। এদেশে পরিকল্পিত মানসম্মত শিক্ষার অভাব রয়েছে। শিক্ষা পেশায় নিয়োজিত শিক্ষকদের জন্য প্রয়োজন পেশাগত প্রশিক্ষণের। শিক্ষার প্রথম ধাপ শিশুশিক্ষায় রয়েছে অনেক সমস্যা।
বাংলাদেশের সকল কিন্ডারগার্টেন, প্রি-ক্যাডেট, প্রিপারেটরিসহ সকল উন্নতমানের বিদ্যালয়সমূহের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাক্ষেত্রে বিভিন্নভাবে উৎসাহ প্রদান করা, শিক্ষকদের মানোন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ, শিক্ষকদের বিভিন্নভাবে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্য নিয়ে গঠিত হয় সিসটেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন।
বাংলাদেশের জনপ্রিয় আইসিটি লেখক, শতাধিক কমপিউটার গ্রন্থের প্রণেতা, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এর ট্রাস্টি বোর্ডের সম্মানিত সদস্য, সিসটেক গ্রুপ এর চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ টেলিভিশনের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক অনুষ্ঠান অনলাইন এর গ্রন্থক ও গবেষক মাহবুবুর রহমান-এর উদ্যোগে গঠিত হয় সিসটেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। শিক্ষার প্রথম ধাপ কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে শুরু করে সর্বশেষ ধাপ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদের নিয়ে গঠিত হয় এই সংগঠন। এটি একটি অরাজনৈতিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
সারা দেশের সকল কিন্ডারগার্টেন ও প্রিপারেটরি স্কুলকে একই প্ল্যাটফর্মে এনে বস্তুনিষ্ঠ ও নিরপেক্ষভাবে বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করে শিক্ষার মান উন্নয়নে গঠনমূলক অবদান রাখাই এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।
ঢাকায় বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে শিশুশিক্ষার উন্নয়নে আমাদের করণীয় শীর্ষক গবেষণামূলক অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দিচ্ছেন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান
উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দিচ্ছেন মাহবুবুর রহমান
সিসটেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীবৃন্দের একাংশ
সদস্যপদ লাভ
বাংলাদেশের সকল বিদ্যালয়ের প্রধানগণ উক্ত ফাউন্ডেশনের নির্দিষ্ট আবেদনপত্র পূরণের মাধ্যমে ২০০/- (দ্ইুশত) টাকা চাঁদা প্রদান করে চেয়ারম্যান ও মহাসচিব এর অনুমোদনক্রমে সদস্যপদ লাভ করতে পারবেন।
সিসটেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মাইনউদ্দীন খন্দকার, পাশে উপবিষ্ট নরসিংদী জেলা প্রশাসক জিলার রহমান, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের মাননীয় ভিসি ড. আবুল হাসান মোঃ সাদেক এবং নরসিংদী সরকারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ আলী
বৃত্তি বিষয়ক সংক্ষিপ্ত বিবরণী
সদস্যভুক্ত স্কুলসমূহের নার্সারী (সমমানের ক্লাশ) থেকে কেজি-৫ (সমমানের ক্লাস) পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট ফরম পূরণের মাধ্যমে নির্ধারিত পরীক্ষার ফি প্রদান করে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। অক্টোবর মাসের ৩১ তারিখের মধ্যে অবশ্যই স্কুল প্রধানগণ যথাযথ কার্যাদি সম্পাদন করে বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীদের নামের তালিকা ও পরীক্ষার ফি ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চেয়ারম্যান বরাবর পাঠাতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্কুলের শিক্ষিকার সাথে চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান
বৃত্তি প্রদানের গ্রেডের বিবরণী
মেধার সর্বোচ্চ মূল্যায়নের প্রয়াসে ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য ২টি গ্রেডে বৃত্তি প্রদান করা হবে। গ্রেডিং বিন্যাস হবে নিম্নরূপঃ
(ক) ট্যালেন্টপুল
(খ) সাধারণ
বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য সনদপত্রসহ ঘোষিত অর্থ এককালীন প্রদান করা হবে। প্রতি শ্রেণীতেই নির্দিষ্ট সিলেবাস এবং গাইডের আলোকে প্রতি বছর তারিখ নির্ধারণ করে বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
সিসটেক ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন আয়োজিত বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল অনলাইনে প্রকাশ করার পর কবি আল মুজাহিদী বক্তব্য দিচ্ছেন, পাশে উপস্থিত আছেন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান
কোনো বিষয়ে জানতে অথবা মতামত ব্যক্ত করতে নিচের নাম, মোবাইল, ইমেইল এর ঘরে তথ্য প্রদান করে এবং মতামত এর ঘরে মতামত প্রদান করে পোস্ট বাটনে ক্লিক করুন।
লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণীয়। *
বর্তমানে আমাদের দেশে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়টি আবশ্যিক হওয়াতে এই বিষয়টি নিয়ে অনেকেরই ব্যাপক আগ্রহের পাশাপাশি নতুন অনেক বিষয় যেমন- এইচটিএমএল এবং সি প্রোগ্রামিং নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে দেখা গেছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ল্যাবে পর্যাপ্ত কমপিউটার না থাকায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলেমে শিখতে পারছেনা। সরাসরি হাতে-কলমে শিখতে পারলে ভালোভাবে বিষয়টি বুঝার পাশাপাশি তারা ভবিষ্যতে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং প্রোগ্রামিং এর প্রতি আগ্রহী হতো। ‘প্রযুক্তি ছড়িয়ে যাক সবখানে’- এ শ্লোগান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রযুক্তি আলো। বিভিন্ন পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের তরুণ শিক্ষার্থীরা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা হিসাবে ভলেন্টারি মানসিকতা নিয়ে প্রযুক্তি আলোর সদস্য হিসাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদেরকে হাতে-কলেমে শিক্ষা দেয়ার উদ্যোগের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। তাদেরকে নিয়ে একটি টীম গঠন করা হয়েছে।