উচ্চ মাধ্যমিকের আইসিটি বিষয়ের ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া কোর্সওয়্যার-এর উদ্বোধন
বর্তমানে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে আবশ্যিক হিসেবে চালু হওয়া ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ বিষয়টি সহজে ভিজ্যুয়ালি শেখার জন্য সিসটেক পাবলিকেশন্স এর উদ্যোগে এবং সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেড এর সহযোগিতায় দেশে এই প্রথমবারের মতো উচ্চ মাধ্যমিকের কোনো বিষয়ের উপর ইন্টারঅ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া কোর্সওয়্যার তৈরি করা হয়েছে।
গত ৩০ নভেম্বর ২০১৫ তে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ ন্যাশনাল লাইব্রেরি অডিটরিয়ামে কোর্সওয়্যারটির উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস) এর সভাপতি জনাব শামীম আহসান, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র পাল এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ডিরেক্টরেট অব আর্কাইভস এন্ড লাইব্রেরিজ এর পরিচালক ওয়াদুদুল বারি চৌধুরী।
প্রোগ্রামের ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন
মন্ত্রী সিসটেক পাবলিকেশন্স এবং সিসটেক ডিজিটাল লিঃ এর এই উদ্যোগের ভূঁয়সী প্রশংসা করে বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের দেশের লাখ লাখ আইসিটি শিক্ষার্থীর জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি অনন্য উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তাঁরা ঘরে বসেই কম্পিউটার ব্যবহার করে পাঠ্যপুস্তকের বিষয়বস্তুকে আত্মস্থ করতে সক্ষম হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

বেসিস এর সভাপতি শামীম আহসান বলেন, আমাদের দেশের বিশাল এই তরুণ জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে পরিণত করার জন্য আইসিটি শিক্ষার ভূমিকা অপরিহার্য। বেশ ক’ বছর যাবত বেসিস এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সিসটেক এর এই উদ্যোগ আমাদেরকে এ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়তা করবে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র পাল শিক্ষার্থীদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ নেয়ার জন্য সিসটেককে ধন্যবাদ জানান।
ডিরেক্টরেট অব আর্কাইভস এন্ড লাইব্রেরিজ এর পরিচালক ওয়াদুদুল বারি চৌধুরী আইসিটি পণ্যে কপিরাইটের গুরুত্ব তুলে ধরে এক্ষেত্রে সরকারের কার্যক্রম ও ভাবনাগুলো তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিসটেক পাবলিকেশন্স ও সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেড এর চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সিসটেক ডিজিটাল লিমিটেড এর সিইও এবং বেসিস এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এম. রাশিদুল হাসান।
দুইটি সিডিতে প্রকাশিত এই কোর্সওয়্যারটিতে উচ্চ মাধ্যমিক “তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি” বিষয়টিকে অডিও, ভিডিও, প্রেজেন্টেশন, অ্যানিমেশন প্রভৃতির মাধ্যমে আকার্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রোগ্রামিং এর অধ্যায়গুলোকে সহজবোধ্যরূপে লেকচারের মাধ্যমে এবং হাতে কলমে শেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষকগণ তাদের ক্লাসে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরের মাধ্যমে এই কোর্সওয়্যার ব্যবহার করে খুব সহজের ছাত্রছাত্রীদেরকে প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন। এছাড়া শিক্ষার্থীগণ নিজেরাই এর মাধ্যমে তাদের পড়ার বিষয়গুলোকে আত্মস্থ করতে পারবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে এই ইন্টারঅ্যাকটিভ কোর্সওয়্যারটির সৌজন্য কপি প্রদান করা হয়।
কোনো বিষয়ে জানতে অথবা মতামত ব্যক্ত করতে নিচের নাম, মোবাইল, ইমেইল এর ঘরে তথ্য প্রদান করে এবং মতামত এর ঘরে মতামত প্রদান করে পোস্ট বাটনে ক্লিক করুন।
লাল তারকা চিহ্নিত ঘরগুলো অবশ্যই পূরণীয়। *
বর্তমানে আমাদের দেশে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়টি আবশ্যিক হওয়াতে এই বিষয়টি নিয়ে অনেকেরই ব্যাপক আগ্রহের পাশাপাশি নতুন অনেক বিষয় যেমন- এইচটিএমএল এবং সি প্রোগ্রামিং নিয়ে উদ্বিগ্ন হতে দেখা গেছে। অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ল্যাবে পর্যাপ্ত কমপিউটার না থাকায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলেমে শিখতে পারছেনা। সরাসরি হাতে-কলমে শিখতে পারলে ভালোভাবে বিষয়টি বুঝার পাশাপাশি তারা ভবিষ্যতে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং প্রোগ্রামিং এর প্রতি আগ্রহী হতো। ‘প্রযুক্তি ছড়িয়ে যাক সবখানে’- এ শ্লোগান নিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে প্রযুক্তি আলো। বিভিন্ন পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের তরুণ শিক্ষার্থীরা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা হিসাবে ভলেন্টারি মানসিকতা নিয়ে প্রযুক্তি আলোর সদস্য হিসাবে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদেরকে হাতে-কলেমে শিক্ষা দেয়ার উদ্যোগের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করেছে। তাদেরকে নিয়ে একটি টীম গঠন করা হয়েছে।